বাংলা বানানের শুদ্ধ সমাচার

2,671 Views

বাংলাভাষী হিসেবে স্বভাবসিদ্ধভাবে আমরা বাংলা ভাষা প্রতিদিনের নিত্য-নৈমেত্তিক প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহার করলে ও পরীক্ষার খাতা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্যে এর শুদ্ধ ব্যবহারের প্রতি আমাদের উদাসীনতা বিরূপভাবে ফুটে ওঠে। ভাষার শুদ্ধ ব্যবহারের মৌলিক উপাদান হিসেবে “বানান” বিবেচিত হলেও এর মানানসই ও প্রায়োগিক ব্যবহারে দ্বিধা ভাষার প্রতি আমাদের অযত্ন ও অবহেলার দিকটিকে ব্যাপকভাবে ফুটিয়ে তোলে। উপযুক্ত বানান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে কিছু আত্ম জিজ্ঞাসা আমাদের ভাষাজ্ঞানকে আত্মপ্রত্যয়হীন করে তোলে। এমনই কিছু প্রশ্ন: হল নাকি হলো?গেল নাকি গেলো? করব নাকি করবো?করছ নাকি করছো? করত নাকি করতো?হব নাকি হবো?রোযা নাকি রোজা?নবী নাকী নবি?এতদ্বারা নাকি এতদদ্বারা?বিবিধপ্রকার নাকি বিবিধ?হাঁ নাকি হা?জি নাকি জী?কি নাকি কী?এসব প্রশ্নের উত্তর জানার আগে আমাদের বানান এবং এর রীতিনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা জরুরী।

শুরুর গল্প

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে গদ্যরচনা শুরু হলে বাংলা বানানে বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে এই শঙ্কায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতা বিশবিদ্যালয়কে অনুরোধ করলে তাঁরা ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানান রীতি প্রণয়ন করে। অবশ্য, এর আগেই রবী ঠাকুর ১৯২৬ সালে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় একটি বানান রীতি প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে, বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে প্রমিত বাংলা বানান রীতি প্রণয়ন করে।

বানান আসলে কী?

ব্যঞ্জন বর্ণে স্বরবর্ণ যোগ করাকে বানান বলে আর সংযুক্তবর্ণ হচ্ছে দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনের মিলন।এবার প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার পালা।সাধারণ সমাধানটা হচ্ছে ক্রিয়াপদের শেষে অযথা ও-কারের দরকার নেই। করব, করত, করছ, করছিল, করেছিল, হব ইত্যাদি ক্রিয়াপদ এসেছে যথাক্রমে করিব, করিত, করিতেছ, করিতেছিল, করিয়াছিল ও হইব থেকে। সাধু ভাষার ঐ ক্রিয়াপদগুলোতে ও-কার নেই বলে চলিত ভাষায়ও ও-কার হবে না। তবে ও-কার না দিলে যেসব ক্রিয়াপদ বুঝতে অসুবিধে হবে, সেগুলোতে ও-কার দিতে হবে। যেমনহল’ বলতে hall-ও বোঝায়, তাই ‘হইল’-এর চলিত রূপ ‘হলো’ লেখাই উত্তম;’হত’ বলতে নিহতও বোঝায়, তাই ‘হইত’-এর চলিত রূপ ‘হতো’ লেখাই উত্তম;’করাত’ বলতে গাছ কাটার অস্ত্রবিশেষও বোঝায়, তাই ‘করাইত’-এর চলিত রূপ ‘করাতো’ লেখাই উত্তম।অনেকেই ওঠে-উঠে, তোলে-তুলে, বোঝে-বুঝে, কেনে-কিনে, মেশে-মিশে, শেখে-শিখে ইত্যাদি ক্রিয়াপদকে গুলিয়ে ফেলেন। এক্ষেত্রে সমাধান হচ্ছে সমাপিকা ক্রিয়ার ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের বিবৃত রূপ (যেমন : ওঠে, তোলে, বোঝে, কেনে, মেশে, শেখে) এবং অসমাপিকা ক্রিয়ার ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের সংবৃত রূপ (যেমন : উঠে, তুলে, বুঝে, কিনে, মিশে, শিখে) ব্যবহৃত হবে।

বিবৃত রূপ কী?

উচ্চারণ করতে ঠোঁট বেশি মেলতে হয়।

সংবৃত রূপ কী?

উচ্চারণ করতে ঠোঁট কম মেলতে হয়। যেমন : উচ্চারণের ক্ষেত্রে ঠোঁট বেশি মেলতে হয় ওঠে ও মেশে-তে, কম মেলতে হয় উঠে ও মিশে-তে। তাই ওঠে ও মেশে হচ্ছে বিবৃত রূপ এবং উঠে ও মিশে হচ্ছে সংবৃত রূপ।ওঠে’ সমাপিকা ক্রিয়া, ‘উঠে’ অসমাপিকা ক্রিয়া। সে খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে। ঘুম থেকে উঠে ছাদে ওঠে। ছাদে উঠে আকাশ দেখে। অর্থাৎ বাক্যের মাঝে হলে উঠে, আর বাক্যের শেষে হলে ওঠে।

ই, য় এবং ও এর ব্যবহার

ক্রিয়াপদের শেষে ই থাকবে যখন বাক্যের কর্তা হলেন উত্তম পুরুষ (1st Person)। যেমন- আমি খাই।আর নাম পুরুষ (3rd Person) এর ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের শেষে য় থাকবে। যেমন- সে খায়।মধ্যম পুরুষ (2nd Person) এর ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের শেষে ও থাকবে। যেমন- তুমি যাও, বিস্কুট খাও।ই এবং য় এর ব্যবহারে ভুল করা যাবে না। যেমন- আমি যাই, সে যায় না লিখে আমি যায়, সে যাই লিখলে কেমন ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত লাগে। খুবই দৃষ্টি ও শ্রুতিকটু এটা।

শব্দের ব্যবহারে তারতম্য

দরিদ্র ও দারিদ্র্য

দরিদ্র’ বিশেষণ (দরিদ্র পরিবার) আর ‘দারিদ্র্য’ ও ‘দরিদ্রতা’ বিশেষ্য (দারিদ্র্য/ দরিদ্রতা বাংলাদেশের অভিশাপ)। ‘দারিদ্রতা’ বলে কোনো শব্দ নেই।

স্মরণ ও সরণ

সরণ’ মানে রাস্তা, সরণ থেকে ‘সরণি’। যেমন- রোকেয়া সরণি, বিজয় সরণি, প্রগতি সরণি। স্মরণ মানে মনে করা। যেমন- স্মরণসভা। সরণির সাথে স্মরণের কোনো সম্পর্ক নেই।

পরা ও পড়া

পরা’ আর ‘পড়া’ এক না। কেবল পরিধান করা অর্থে ‘পরা’ এবং বাকি সব ক্ষেত্রে ‘পড়া’। যেমন- পরা: আমি পাঞ্জাবি পরি। বাবা চশমা পরেন। সে শাড়ি পরেছে।পড়া: সে বই পড়ে। বৃষ্টি পড়ছে। সে প্রেমে পড়েছে। তিনি পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছেন। প্রশ্ন কমন পড়েনি। শেয়ারবাজার পড়ে গেছে।

আ-কার এর কারণে ণ

ধরন ও দরুন বানানে ন। ধারণ, ধারণা, দারুণ বানানে ণ। খেয়াল রাখতে হবে- দ বা ধ এর সাথে আ-কার বসলে পরে ণ হয়, আ-কার না বলে ন হয়।

দ্রব্যমূল্য ও দ্রব্যমূল্যের দাম

দ্রব্যমূল্য’ অথবা ‘দ্রব্যের দাম’ শুদ্ধ। ‘দ্রব্যমূল্যের দাম’ কথাটা ভুল, মূল্য মানেই দাম।

উদ্দেশ্য ও উদ্দেশ

উদ্দেশ্য = লক্ষ্য, উদ্দেশ = প্রতি।সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন, ভাষণ শেষে তিনি ব্রিটেনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

লক্ষ ও লক্ষ্য

লক্ষ = লাখ, দৃষ্টি। লক্ষ্য = উদ্দেশ্য। জীবনের লক্ষ্য পূরণের দিকে লক্ষ রাখতে হবে। আমার দিকে লক্ষ করো। লক্ষ করে শোনো।

চন্দ্রবিন্দু

দাঁড়িপাল্লা, দাঁড়ি-মাল্লা, দাঁড়ি-কমা ইত্যাদি সব দাঁড়িতে চন্দ্রবিন্দু থাকলেও কেবল দাড়ি-মোচের দাড়িতে চন্দ্রবিন্দু নেই। কাঁচা ও হাঁড়িতে চন্দ্রবিন্দু আছে, কাচ ও হাড়ে নেই।

ভারি ও ভারী

ভারি = খুব, ভারী = ওজনদার। ক্লাসের ভারী-ভারী বই পড়তে ভারি কষ্ট লাগে।

উত্তম, মধ্যম ও নাম পুরুষ

ভুল: আমি ও সে যাব।শুদ্ধ: সে ও আমি যাব।বাক্যে একাধিক পুরুষ থাকলে উত্তম পুরুষটি শেষে বসবে। ক্রম হবে- সে>তুমি>আমি। (৩২১)

নিচ ও নীচ

নিচ = নিম্ন, নীচ = জঘন্য। আমাদের নিচতলার ভাড়াটিয়া অত্যন্ত নীচ প্রকৃতির মানুষ।

জীবী ও জীবি

আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ইত্যাদি সকল জীবী-তে দুটোই দীর্ঘ ই-কার; কিন্তু জীবিকা বানানে ব-য় হ্রস্ব ই-কার অর্থাৎ ‘বি’।

ত্য, ত্ত, ত্ত্ব, ত্ব

সত্য বানানে ত্য, সত্তা বানানে ত্ত, সত্ত্বেও বানানে ত্ত্ব, স্বত্বাধিকারী বানানে ত্ব।

ভুঁড়ি ও ভূরি

ভুঁড়ি : নাড়ি-ভুঁড়িভূরি : এ জগতে হায় সে-ই বেশি চায়, আছে যার ভূরি-ভূরি!

জোর ও জোড়

জোর = শক্তি । জোড় = যুগলবাবা তাকে জোরে ধমক দিলেন, সে করজোড়ে ক্ষমা চাইল। সে পরীক্ষায় বড়জোর ৪০ পাবে।

স্বার্থক নয় সার্থক

স্বার্থক না, সার্থক; স্বার্থকতা না, সার্থকতা।

য় নয় র

সে আশায় গুড়েবালি’ কথাটা ঠিক নয়, কথাটা হবে ‘সে আশার গুড়ে বালি’।

অন্তঃস্থল নয় অন্তস্তল

অন্তরের অন্তঃস্থল’ না, ‘অন্তরের অন্তস্তল’।

আপস/আপোস/আপোষ

বাংলা একাডেমির অভিধানে কেবল আপস শব্দটাই আছে।

যুক্তবর্ণে ন ও ণর ভুল

অপরাহ্ণ ও পূর্বাহ্ণ বানানে ণ; সায়াহ্ন, মধ্যাহ্ন, আহ্নিক ও চিহ্ন বানানে ন।

গাঁথা ও গাথা

গাঁথা = গ্রন্থন (মালা গাঁথা, সুতো গাঁথা)গাথা = কবিতা (সাফল্যগাথা, বীরত্বগাথা, জীবনগাথা, দুঃখগাথা)

লী নয় লি

অঞ্জলি বানানে ই-কার। শ্রদ্ধাঞ্জলি, গীতাঞ্জলি।

দু, দূ ও দুঃ

দূর বানানে দীর্ঘ ঊ-কার; কিন্তু দুর্নীতি, দুর্লভ, দুর্গম, দুর্নাম, দুর্ধর্ষ, দুর্দিন, দুঃস্থ, দুষ্প্রাপ্য, দুর্বল, দুর্গ ইত্যাদিতে হ্রস্ব উ-কার।দুঃসম্পর্কের আত্মীয় না, দূরসম্পর্কের আত্মীয়।

শীষ ও শিস

শীষ- গুচ্ছ। গমের শীষ।শিস- শুভ কামনা। শব্দটি আশীষ বা আশিশ নয়, আশিস। এভাবে শুভাশিস, দেবাশিস, স্নেহাশিস হবে।

ভাষাভাষী নয় শুধু ভাষী

বাংলা ভাষাভাষী’ বা ‘ইংরেজি ভাষাভাষী’ লেখা নিষ্প্রয়োজন, ‘বাংলাভাষী’ বা ‘ইংরেজিভাষী’ লিখলেই চলবে।

বেশি ও বেশী

বেশি = খুব, অনেকবেশী = বেশধারী (ছদ্মবেশী, ভদ্রবেশী)

য-ফলা আছে

সন্ন্যাসী বানানে ‘ন্ন্যা’, সন্ধ্যা বানানে ন্ধ্যা।জ্যেষ্ঠ, জ্যৈষ্ঠ, জ্যোতি, জ্যোৎস্না, ন্যূনতম, ব্যূহ বানানে য-ফলাগুলো লক্ষ রাখতে হবে।

কারণ ও কেননা

ইতিবাচক বাক্যে ‘কারণ’ বসবে, যেমন: সে ভালো ফলাফল করেছে, কারণ সে নিয়মিত স্কুলে যায়।নেতিবাচক বাক্যে ‘কেননা’ বসবে; যেমন:সে পাশ করেনি, কেননা সে লেখাপড়ায় মনোযোগী ছিল না। অর্থাত যেসব বাক্যে না, নি, নেই ইত্যাদি আছে; সেসব বাক্যে কেননা বসে।

ষ ব্যবহারের ব্যতিক্রম

বিদেশি কোনো শব্দেই ষ না বসলেও কেবল ‘খ্রিষ্ট’ শব্দটিতে ষ বসবে। ‘খ্রিষ্ট’ শব্দটি ইংরেজি ‘ক্রাইস্ট’ থেকে এলেও এটি বাংলা ভাষায় ঢুকে আত্মীকৃত হয়ে গেছে এবং এর উচ্চারণও বদলে গিয়ে সংস্কৃত শব্দ ‘কষ্ট’, ‘নষ্ট’ ইত্যাদির মতো হয়ে গেছ। ফলে খ্রিষ্ট, খ্রিষ্টীয়, খ্রিষ্টপূর্ব, খ্রিষ্টাব্দ, খ্রিষ্টান ইত্যাদিতে ষ লিখতে হবে।

ভাল ও ভালো

ভাল – ভালো, কাল – কালো একক শব্দ হিসেবে লিখলে দুটো বানানই ঠিক। কিন্তু এর সাথে অন্য কিছু জুড়ে দিলে ‘লো’ হবে। যেমন: ভালোবাসা, কালোবাজার।

কালীন মানেই সময়

মনে রাখা দরকার কালীন মানেই সময়। ফলে এ দুটি শব্দ একসাথে বসে না। ভুল: সমকালীন সময়ে শুদ্ধ: সমকালীন ভুল: খেলা চলাকালীন সময়। শুদ্ধ: খেলা চলাকালে/খেলা চলার সময়ে ভুল: গর্ভকালীন সময়ে। শুদ্ধ: গর্ভকালীন/গর্ভাবস্থায়।

সাধারণ দুইটি ভুল

হ্যাঁ: হ্যাঁ বানানে চন্দ্রবিন্দু হবে। জি: আরেকটা ট্রিকি বানান হচ্ছে জি, যেমন- হ্যালো, জি বলছি। এটাকে কেউ জ্বী লেখে, কেউ জ্বি, কেউ জী। শুদ্ধ বানান হচ্ছে জি।

ঈ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঙ্গে গণ যোগ করতে হলে ঈ-কারের বদলে ই-কার হবে। যেমন: সহকারী >সহকারিগণ, আবেদনকারী >আবেদনকারিগণ, কর্মচারী >কর্মচারিগণ ইত্যাদি।

পদের শেষে গ্রস্থ নয়, গ্রস্তহবে। যেমন: অভাবগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত, বাধাগ্রস্ত ইত্যাদি।

ৎ-এর সঙ্গে কারচিহ্ন যোগ করতে হলে ত হবে(শেষে বসলে)। যেমন: বিদ্যুৎ >বিদ্যুতে, ভবিষ্যৎ >ভবিষ্যতে, সাক্ষাৎ >সাক্ষাতে ইত্যাদি।

না ও নেই আলাদা করে লিখতে হবে। যেমন: এটা এখানে হবে না, আমার ভাই-বোন নেই ইত্যাদি।

সমাসবদ্ধ পদ ও বহুবচনবাচক শব্দ একসঙ্গে লিখতে হয়। যেমন: চিঠিপত্র, আবেদনপত্র, রচনামূলক, ভালোভাবে, শীতকালীন ইত্যাদি।

ক-বর্গে ‘ng’ ধ্বনি থাকলে ঙ হবে। যেমন-অঙ্ক (ongko), আশঙ্কা (ashongka)

বিবিধ

শব্দ——প্রত্যয়—–বিভক্তিরং—–রঙিন—-রঙেরগাং—–গাঙের যেসব, শব্দ a দিয়ে শুরু তাঁদের ক্ষেত্রে অ্যা ব্যাবহার হবে (ambulance-অ্যাম্বুলেন্স; তবে, প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তির ক্ষেত্রে ইহা প্রযোজ্য নয় (বাংলা একাডেমি)
কি/ কীকি-মুখ বন্ধ রেখে/ মাথা নাড়িয়ে উত্তর দেওয়া গেলে; কী- বিস্তারিত বলতে হলেআপনি বাড়ি যাবেন কি? আপনার নাম কী? জ্ঞানে, সৃজনে ও নৈপুণ্যে পরিপূর্ণ হোক আমাদের ভাষাজ্ঞান।

সোর্স: ড. সৌমিত্র শেখরের “বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম

তুমি বদলে গেলে সময় পাল্টাতে বাধ্য।

Leave a comment

Share via
Copy link